ফেব্রুয়ারী / ০৩ / ২০২৩ ০৬:২৫ পূর্বাহ্ন

সৈয়দ হেলাল আহমদ বাদশা:

ডিসেম্বর / ১৯ / ২০২২
০২:৪৯ অপরাহ্ন

আপডেট : ফেব্রুয়ারী / ০৩ / ২০২৩
০৬:২৫ পূর্বাহ্ন

গোয়াইনঘাটে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনে ফাটল: ঝুঁকির মধ্যে পাঠদান!



39

Shares

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার লেংগুড়া ইউনিয়নের গরুকচি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনের ছাদ ও স্তম্ভে ফাটল দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যে দুটি কক্ষের ছাদের কিছু অংশের রড বেরিয়ে পড়েছে। বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় কর্তৃপক্ষ এই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই পাঠদান করছে। 

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৪ সালে এই বিদ্যালয়ের জন্য একটি একতলা ভবন নির্মাণ করা হয়। এতে ৪টি কক্ষ আছে। এর মধ্যে একটি কক্ষে  শিক্ষকদের অফিস রুম হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে । ছোট্ট একটি স্টোর রুম ও দুটি ঝুঁকি পূর্ণ রুমে চলছে ক্লাস। 

নির্মাণের ২৮ বছরের মধ্যে ভবনের বিভিন্ন স্থানে ফাটলের সৃষ্টি হয়। ফাটল সৃষ্টি হওয়ায় ও পলেস্তারা খসে পড়ায় দূটি শ্রেণীকক্ষে এখন ঝুঁকি নিয়ে পাঠদান করা হচ্ছে।

২০০৬ সালে দ্বীতল বিশিষ্ট একটি ফ্লাট সেন্টার নির্মাণ হওয়ায় উপরের তালায় দুটি ক্লাস করানো সম্ভব হলেও নিচ তলার চারিদিক খোলামেলা থাকায় ক্লাস নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। 

বিদ্যালয় সূত্রে ও সরেজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয়ে ৩২৭ জন শিক্ষার্থী ও ৫ জন শিক্ষক রয়েছেন। ভবনের ছাদ থেকে পলেস্তারা খসে পড়ছে। ছাদ দেওয়াল সহ বিভিন্ন জায়গায় শ্যাওলা পড়েছে। 

 ব্যবহারের অনুপযোগী কক্ষগুলোতে ঝুঁকি নিয়ে চলছে অফিস ও ক্লাস।  পলেস্তারা খসে স্তম্ভগুলোর ভেতরের লোহার রড বের হয়ে আছে।

পঞ্চম শ্রেণীর দুই জন শিক্ষার্থী বলেন, ‘ক্লাস করতে খুব ভয় করে। কিন্তু লেখাপড়া শেখার জন্য ভয় নিয়েও ক্লাস করি। ছাদের পলেস্তারা খসে কখন যে গায়ের ওপর পড়ে।

ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জসিম উদ্দিন ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা শাহানাজ আক্তার ঊর্ধতন  কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন এবং ঝুঁকিপূর্ণ এই ভবনকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করে নতুন ভবন নির্মাণের  দাবি জানান। 

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা শাহনাজ আক্তার বলেন, ‘বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় গত কয়েকবছর ধরে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান করা হচ্ছে। দুর্ঘটনার আশঙ্কা নিয়ে চলছে ক্লাশ।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পুতুল চন্দ্র সরকার বলেন, ওই বিদ্যালয়ের সমস্যার কথা তিনি জানেন। তিনি শিগগির ওই বিদ্যালয় পরিদর্শন করবেন। এ ছাড়া বিদ্যালয়ের কার্যক্রম ফ্লাড সেন্টারের নিচ তলা সংস্কার করে ক্লাস পরিচালনার চিন্তাভাবনা করছেন। তিনি আরো বলেন, উপজেলা প্রকৌশলী অফিস থেকে ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা না হলে,নতুন ভবন নির্মাণ করা সম্ভব নয়।

সৈয়দ হেলাল আহমদ বাদশা:

ডিসেম্বর / ১৯ / ২০২২
০২:৪৯ অপরাহ্ন

আপডেট : ফেব্রুয়ারী / ০৩ / ২০২৩
০৬:২৫ পূর্বাহ্ন

শিক্ষা ও সংস্কৃতি