ডিসেম্বর / ০১ / ২০২২ ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

জুন / ০১ / ২০২২
০৫:১৩ পূর্বাহ্ন

আপডেট : ডিসেম্বর / ০১ / ২০২২
০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন

কাজী নজরুল ইসলামকে ‘জাতীয় কবি’ ঘোষণার গেজেট চেয়ে আইনি নোটিশ


ফাইল ফটো

188

Shares

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামকে “জাতীয় কবি” ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশের জন্য আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক এবং কবি নজরুল ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালককে এ নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩১ মে) সুপ্রিম কোর্টের ১০ আইনজীবীর পক্ষে আইনজীবী মো. আসাদ উদ্দিন এ নোটিশ পাঠান। অন্য আইনজীবীরা হলেন-মোহাম্মদ মিসবাহ উদ্দিন, মো. জোবায়দুর রহমান, আল রেজা মো. আমির, মো. রেজাউল ইসলাম, কে এম মামুনুর রশিদ, মো. আশরাফুল ইসলাম, শাহীনুর রহমান, মো. রেজাউল করিম ও মো. আলাউদ্দিন।  

নোটিশ পাওয়ার ৭ দিনের মধ্যে কাজী নজরুল ইসলামকে জাতীয় কবি হিসেবে ঘোষনা করে গেজেট প্রকাশ করতে অনুরোধ করা হয়েছে। অন্যথায় উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার কথা বলা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে আইনজীবী মো. আসাদ উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, “কাজী নজরুল ইসলাম মৌখিকভাবে বাংলাদেশের জাতীয় কবি হিসেবে পরিচিত হলেও লিখিতভাবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি নেই। ১৯২৯ সালের ১৫ ডিসেম্বর কলকাতার আলবার্ট হলে সর্বভারতীয় বাঙালিদের পক্ষ থেকে কবিকে জাতীয় সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু, শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকসহ গুরুত্বপূর্ণ অনেকে উপস্থিত ছিলেন। ওই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নজরুলকে ‘জাতীয় কবি’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। কিন্তু আজ পর্যন্ত সরকাবিভাবে তাকে জাতীয় কবি হিসাবে ঘোষণা করে কোনও প্রজ্ঞাপন বা গেজেট প্রকাশ করা হয়নি।'

তিনি বলেন, “স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ২৪ মে কবিকে বাংলাদেশে আনা হয়। বসবাসের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ধানমন্ডিতে তাকে একটি বাড়ি দেওয়া হয়। বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে অবদানের জন্য ১৯৭৪ সালের ৯ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাকে ডি-লিট উপাধিতে ভূষিত করে। এরপর ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দিয়ে সরকারি আদেশ জারি করা হয়। ১৯৭৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তাকে ‘একুশে পদক’ দেওয়া হয়। সবকিছুরই লিখিত দলিল আছে। কিন্তু নির্মম সত্য এটিই যে, ‘জাতীয় কবি’ হিসেবে সরকারি ঘোষণার কোনও লিখিত দলিল বা প্রমাণ নেই।”

তিনি আরও বলেন, “বিভিন্ন সরকারি আয়োজনে তাঁকে জাতীয় কবি হিসেবে উল্লেখও করা হয়। । এমন পরোক্ষ স্বীকৃতি কালের পরিবর্তনে মুছে যেতে পারে। আগামীর প্রজন্ম একদিন হয়তো না-ও জানতে পারে যে, আমাদের জাতীয় কবির নাম কাজী নজরুল ইসলাম। জাতীয় স্বীকৃতি কখনও অলিখিত থাকতে পারে না। এছাড়া নজরুলকে জাতীয় কবি হিসেবে ঘোষণার দাবিতে কবি পরিবার, নজরুল গবেষক এবং সাহিত্য-সংস্কৃতি সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকেও অনেক দাবি জানানো হয়েছে। কিন্তু অদ্যাবধি এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তাই দেশের সচেতন নাগরিক এবং উচ্চ আদালতের আইনজীবী হিসাবে এ আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।”

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

জুন / ০১ / ২০২২
০৫:১৩ পূর্বাহ্ন

আপডেট : ডিসেম্বর / ০১ / ২০২২
০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন

সাহিত্য