ফেব্রুয়ারী / ০৩ / ২০২৩ ০৬:১১ পূর্বাহ্ন

জৈন্তাবার্তা ডেস্ক:

জানুয়ারী / ২১ / ২০২৩
০৩:৫০ অপরাহ্ন

আপডেট : ফেব্রুয়ারী / ০৩ / ২০২৩
০৬:১১ পূর্বাহ্ন

মাধবপুরে কেবল নামেই আছে চা শ্রমিক হাসপাতাল!



5

Shares

হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া চা বাগানের শ্রমিকদের চিকিৎসার জন্য একটি হাসপাতাল থাকলেও নেই পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধা ও ঔষধ। এতে বাধ্য হয়ে রোগীরা বাইরের হাসপাতালে যেতে হয়।

সরেজমিনে তেলিয়াপাড়া চা বাগান হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, কোন ডাক্তার নেই সেখানে।

উপস্থিত কম্পাউন্ডার রানু দত্ত জানান, প্রতি মঙ্গলবার সকাল ৯ টায় ডাক্তার আসেন এবং দশটায় চলে যান। ডাক্তার ছাড়া নার্স, ড্রেসার ও ধাত্রীসহ সাত জন স্টাফের মধ্যে একজন ধাত্রী ও দুই জন পুরুষ ড্রেসার ও একজন মহিলা ড্রেসারকে উপস্থিত থাকতে দেখা যায় । হাসপাতালে ৪টি বেড থাকলেও সেখানে কোন রোগী নেই। ঔষধ বলতে ড্রয়ারে অল্প কিছু প্যারাসিটামল ও হিস্টাসিন জাতীয় কিছু সাধারণ ঔষধ দেখা যায়।

বাগান পঞ্চায়েত সেক্রেটারি লালন পাহান জানান, সাতশো ছিয়াত্তর জন চা শ্রমিকের মজুরি থেকে প্রতিদিন সাড়ে সাত টাকা করে কেটে রাখা হয় চিকিৎসা বাবদ। সেই হিসেবে এক লাখ ছিয়াত্তর হাজার টাকা কেটে রাখা হয় প্রতি মাসে। অথচ চিকিৎসার তেমন কোন ব্যবস্থা নেই এখানে। তাই বেশিরভাগ রোগী বাধ্য হয়েই চিকিৎসার জন্য বাইরে চলে যায়। ধাত্রী আছে কিন্তু তার কাজের কোন সরঞ্জাম বা কিট নেই। পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা না থাকায় সিট থাকা সত্বেও কোন রোগী এখানে থাকে না। সপ্তাহে একদিন ডাক্তার জসিম ভূইয়া আসেন। তিনি নিয়মিত চুনারুঘাট সেবা ক্লিনিকের পাশে বসেন। মঙ্গলবার সকালে ৯টায় আসেন ১০টায় চলে যান।

৭৭৬ জন শ্রমিক থেকে চিকিৎসা খরচ বাবদ তাদের প্রতিদিনের মজুরী থেকে ৭ টাকা করে কেটে নেওয়ার পর প্রতি মাসে চিকিৎসা তহবিলে পৌণে দুই লাখ টাকা জমা হওয়ার পরেও কেন পর্যাপ্ত চিকিৎসা সুবিধা চা শ্রমিকদের দেওয়া হয় না এমন প্রশ্নের জবাবে ন্যাশনাল টি কোম্পানীর আওতাধীন তেলিয়াপাড়া চা বাগানের ব্যবস্থাপক দিপেন সিংহ জানান, চিকিৎসা বাবদ শ্রমিকদের কাছ থেকে কোনো টাকা কেটে রাখা হয় না।

জৈন্তাবার্তা ডেস্ক:

জানুয়ারী / ২১ / ২০২৩
০৩:৫০ অপরাহ্ন

আপডেট : ফেব্রুয়ারী / ০৩ / ২০২৩
০৬:১১ পূর্বাহ্ন

হবিগঞ্জ